কালেক্টরেট পার্ক
যশোর জেলা সদরে অবস্থিত যশোর কালেক্টরেট ভবন চত্বর শহরের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে অধিক জনপ্রিয়। কালেক্টরেট ভবনের পাশে ভৈরব নদীর তীরে গড়ে তোলা হয়েছে যশোর কালেক্টরেট পার্ক, যা আগে নিয়াজ পার্ক হিসাবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে চারিদিকে ঘেরা কালেক্টরেট ভবনের মধ্যে বন্দী থাকা নিয়াজ পার্ক অনেক আন্দোলন সংগ্রামের পটভূমির নিরব সাক্ষী।
১৭৮৬ সালের ৪ঠা এপ্রিল জনাব টিলম্যান হেঙ্কেল যশোর কালেক্টরেট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। জনগণের মঙ্গল ও সুবিধার জন্য কালেক্টরের সম্মান বৃদ্ধি করার এই প্রসত্মাব তিনি করেছিলেন। তৎকালীন সরকারের কর্তারা বিষয়টি জানামাত্র আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং ১৭৮৬ সালে যশোরে কালেক্টরেট প্রতিষ্ঠা করেন। এটা ছিল ইসাফপুর ও সৈয়দপুরে (যা পূর্বে স্পষ্টই ভূষণা ও রাজশাহীর অংশ ছিল) ইছাতি ও বাকেরগঞ্জ জেলার (যা আগে ঢাকার অংশ ছিল) মধ্যবর্তী অঞ্চল। এছাড়াও কোলকাতা ও হুগলীর কিছু অঞ্চল এবং মুর্শিদাবাদ থেকে নেয়া কিছু অঞ্চল নিয়ে এই কালেক্টরেটের সীমানা বিস্তৃত ছিল। মহাম্মদশাহী তৎকালীন সময় বা তার আগে থেকে আলাদা কালেক্টরেট ছিল। নালদি ও ফরিদপুর যদিও যশোর জাজশীপের অধীন ছিল তবুও তারা রাজশাহী কালেক্টরেটের অংশ ছিল। যশোরে প্রতি বছর ৬ লাখ টাকার ভূমি রাজস্ব সংগৃহীত হতো।
বর্তমানে ফ্লাওয়ার পার্ক এখন যশোরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান। পার্কের ভেতরে তিন বিঘা আয়তনের পুকুর। সেই পুকুরে খরশুল্লা মাছ ভাসে। পুকুরের চারপাশে বাহারি সব ফুলগাছ। গাঁদা, ডালিয়া, চন্দ্রমলি্লকা, সূর্যমুখী, জিনিয়া, ব্লুস্টার, গোলাপ, কসমস ফুলের শোভা বর্ধিত। এঁকেবেঁকে ইট বিছানো পথে থেমে থেমে মিলবে টাইলসের বেঞ্চ। পার্কে বেড়াতে আসা মানুষ বেঞ্চে বসে একটু জিরিয়ে নেন অথবা দেন আড্ডা। বিশেষ সুবিধা হিসাবে এখানে রয়ে

No comments